
ALT ঘরের টিকটিকির সঙ্গে এই টিকটিকি থুরি তক্ষকের পার্থক্যটা কিন্তু বেশ চোখে পড়ার মতো। শরীরের দুপাশে, পায়ের কাছে এবং লেজের ধারে রয়েছে চামড়ার বিশেষ ঢিলেঢালা ভাঁজ। পায়ের আঙুলের মাঝের জালিকার মতো অংশ যা অনেকটা হাঁসের পা এর মত দেখতে। এদের লেজ বেশ চ্যাপ্টা আকারের ও এদের অদ্ভুত শারীরিক গঠন বাতাসে ভেসে চলতে সাহায্য করে। গাছের উঁচু ডাল থেকে লাফিয়ে এরা বাতাসে গ্লাইড করে অন্য ডালে পৌঁছতে পারে খুব অনায়াসেই। ঠিক যেন ছোট্ট একটি প্যারাগ্লাইডার, বিষয়টা কি মজার তাই না? মিজোরামে এই ধরনের তক্ষক অনেক আগেই পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু তখন একে পরিচিত প্রজাতির সদস্য হিসেবে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তী গবেষণায় বোঝা যায়, এই গোষ্ঠীর মধ্যে দেখতে কাছাকাছি একাধিক আলাদা প্রজাতি রয়েছে। ২০২৩ সালে গবেষকেরা এই তক্ষক-কে এক্কেবারে নতুন প্রজাতি হিসেবে বর্ণনা করেন। এদের গড় দৈর্ঘ্য প্রায় ৭-৭.৫ ইঞ্চি (লেজ সমেত)। এর শরীরের চামড়ার ভাঁজ শুধু যে গ্লাইডিংয়ের কাজেই সহায়তা করে এমনটি কিন্তু নয়, ছদ্মবেশ ধারণ করতে বা ক্যামোফ্লেজ এর ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে।


















