Replying to @AhmedFaisalbabu
ভাই, কথাটা ঠিকই বলেছেন।
বিচার চায় জনগণ, শুধুমাত্র বিচারের জন্যই"আ:লীগ এখন সবচাইতে রিলিভেন্ট আওয়াজ!"
#বিএনপিনামা - ০৮
১৫ফেব্রুয়ারি ২০১৫
ছয়ঘরিয়া,শালিখা, মাগুরা।
#ভিক্টিমঃ ইউনিয়ন ওয়ার্ড বিএনপির নেতা #মশিউর_রহমান
#ঘাতকঃ OC বিপ্লব কুমার নাথ,SI ইসমাইল হোসেন & গং
"ঘটনাটিকে ‘ক্রসফায়ার’ হিসেবে দেখিয়ে শালিখা থানায় মামলা করা হয়েছিল।"
#BNP
#ক্রসফায়ার #হাসিনা_বিরোধী_আন্দোলন
Sentient Fool retweeted
#MyBNP🌾 ✌️
ভোট দিবেন কিসে,ধানের শীষে 🌾
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নের যাত্রাকে অব্যাহত রাখতে, সম্প্রীতি বজায় রাখতে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং সর্বোপরি একটা নিরাপদ ভবিষ্যৎ ঠাকুরগাঁও গড়ে তুলতে
আগামীকাল, ২৯ অক্টোবর ধানের শীষে ভোট দিন।
@bdbnp78
@BNPBdMediaCell
Sentient Fool retweeted
আজ **২৮ অক্টোবর | বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী**
*Saving Private Ryan* চলচ্চিত্রে ওমাহা বিচে মিত্রবাহিনীর অবতরণ ও ভয়াবহ যুদ্ধের দৃশ্য অনেকেই দেখেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের আত্মত্যাগের কাহিনিও কোনো অংশে কম নয়।
**ধলই বিওপি, শ্রীমঙ্গল সীমান্ত, সিলেট | ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১**
শ্রীমঙ্গল শহরের প্রায় দশ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে ধলই বিওপি। মার্চের শুরু থেকেই পাকিস্তানের ৩০ ফ্রন্টিয়ার ফোর্স এক কোম্পানি রাজাকারসহ এখানে শক্ত ঘাঁটি গেড়ে বসেছিল। তাদের অবস্থানের কারণে ধলই-শ্রীমঙ্গল অক্ষে এবং সীমান্তের প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছিল। সীমান্তের ওপারে ভারতের কমলপুর শহরেও তারা নিয়মিত গোলাবর্ষণ করত।
ধলই বিওপি দখলে নিতে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন জেড ফোর্সের অন্তর্ভুক্ত ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সি কোম্পানি দায়িত্ব পায়। এই কোম্পানিরই সদস্য ছিলেন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমান।
পাকিস্তানি বাহিনী ধলই বিওপিতে গড়ে তুলেছিল প্রায় দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষা। সুপরিসর ট্রেঞ্চ ও শক্ত আচ্ছাদনের বাংকার, সুরক্ষিত যোগাযোগপথ, পরিকল্পিত মাইনফিল্ড, বাঁশের চোখা পাঞ্জি এবং নিরবচ্ছিন্ন আর্টিলারি ফায়ারের ব্যবস্থা ছিল তাদের প্রতিরক্ষার অংশ। নিখুঁত ক্যামোফ্লাজ ও কনসিলমেন্টের কারণে শত্রুর প্রকৃত শক্তি সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া কঠিন ছিল।
**আক্রমণের পরিকল্পনা ও রণক্ষেত্র**
ধলই বিওপির দক্ষিণে ছিল জলা-কাদার মাঠ ও নালা। ওই দিকেই পাকিস্তানিরা বেশি অস্ত্র মোতায়েন করেছিল। তা সত্ত্বেও দক্ষিণ দিক থেকে আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিকল্পনা ছিল, ৭ ও ৮ নম্বর প্লাটুন মর্টার ফায়ারের আড়ালে দুই দিক থেকে এগিয়ে শত্রুর কাছাকাছি পৌঁছাবে। ১০৬ মিলিমিটার রিকয়েললেস রাইফেল দিয়ে বাংকার ধ্বংস করা হবে। এরপর ৯ নম্বর প্লাটুন বিওপির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেবে। অন্য বাহিনী চারদিক থেকে ঘাঁটিটি বিচ্ছিন্ন করে রাখবে, যাতে শত্রুপক্ষ রসদ বা অতিরিক্ত সৈন্য পাঠাতে কিংবা পালিয়ে যেতে না পারে।
ভোর চারটায় লেফটেন্যান্ট কাইয়ুমের নেতৃত্বে সি কোম্পানি দক্ষিণের নালা পেরিয়ে এগিয়ে যায়। বামে ৭ নম্বর প্লাটুনের নেতৃত্বে লেফটেন্যান্ট নূর, ডানে ৮ নম্বর প্লাটুনের নেতৃত্বে নায়েব সুবেদার আবুল হাসেম টিজে এবং মাঝখানে ৯ নম্বর প্লাটুন নিয়ে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কাইয়ুম। তাঁর সঙ্গে রানার হিসেবে ছিলেন সিপাহি হামিদুর রহমান।
প্রথম ৫০০ গজ অতিক্রম করে ৭ ও ৮ নম্বর প্লাটুন শত্রুর প্রায় ২০০ গজের মধ্যে পৌঁছাতেই শুরু হয় তুমুল গোলাগুলি। মর্টার ও রিকয়েললেস রাইফেলের গর্জনে ধলই বিওপি মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
কিন্তু পাকিস্তানি বাহিনীর অবিরাম মেশিনগানের গুলিতে কাইয়ুমের প্লাটুন আটকে যায়। তিনি আহত হয়ে পেছনে চিকিৎসার জন্য যেতে বাধ্য হন। নায়েব সুবেদার হাসেমের প্লাটুনও প্রচণ্ড প্রতিরোধের মুখে থমকে দাঁড়ায়। স্পষ্ট হয়ে ওঠে, শত্রুর শক্তি সম্পর্কে প্রাথমিক অনুমান ভুল ছিল।
এ অবস্থায় লেফটেন্যান্ট কাইয়ুম বুঝতে পারেন, দুটি মেশিনগান পোস্ট ধ্বংস করতে না পারলে সামনে এগোনো কিংবা নিরাপদে পিছু হটা, কোনোটিই সম্ভব নয়। পোস্ট দুটির মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া একটি নালা ছিল সম্ভাব্য পথ। তিনি সিপাহি হামিদুর রহমানকে নির্দেশ দিলেন নালা বেয়ে হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে গিয়ে একটি মেশিনগান পোস্ট ধ্বংস করতে।
হামিদুর তখন পর্যন্ত রানার হিসেবে কমান্ডারের পাশে থেকে যুদ্ধের অগ্রগতি দেখছিলেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বার্তা আদান-প্রদান করছিলেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তিনি বিনা দ্বিধায় সহযোদ্ধার সঙ্গে অস্ত্র বদল করে একটি সাবমেশিন কারবাইন হাতে এগিয়ে গেলেন।
কমান্ডারের কাভারিং ফায়ারের আড়ালে হামাগুড়ি দিয়ে শত্রুর বাংকারের একেবারে কাছে পৌঁছে গুলি চালান হামিদুর। এরপর হাতে গ্রেনেড নিয়ে বাংকারের ভেতরে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
সেই অভিযানে তিনি শহীদ হন। বাংকারে তাঁর মরদেহের পাশে দুজন পাকিস্তানি সৈন্যের মৃতদেহ পাওয়া যায়। নিজের জীবন দিয়ে তিনি শত্রুর মেশিনগান পোস্ট ধ্বংস করেন এবং সহযোদ্ধাদের অগ্রযাত্রার পথ খুলে দেন। তাঁর আত্মত্যাগে সি কোম্পানির বহু সদস্যের প্রাণ রক্ষা পায়।
পরবর্তী সময়ে ভারতীয় মিত্রবাহিনী অতিরিক্ত সৈন্য নিয়ে এগিয়ে আসে। ৩০ অক্টোবর সকালে সম্মিলিত আক্রমণে ধলই বিওপির পতন ঘটে।
**দারিদ্র্য থেকে বীরশ্রেষ্ঠ**
১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন যশোর জেলার, বর্তমানে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দখালিশপুর গ্রামে হামিদুর রহমানের জন্ম। পিতা আব্বাস আলী মণ্ডল ও মাতা মোসাম্মাৎ কায়সুন্নেসার জ্যেষ্ঠ সন্তান হামিদুর দারিদ্র্যের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় বেশি দূর এগোতে পারেননি। বাবার সঙ্গে অন্যের জমিতে কাজ করতেন। তিনি ছিলেন চৌকস কাবাডি খেলোয়াড়, ধর্মপ্রাণ ও সমাজসেবী তরুণ।
আনসার বাহিনীতে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর ১৯৭০ সালে কিছুদিন মুজাহিদ বাহিনীতেও কাজ করেন বলে তাঁর জীবনীতে উল্লেখ রয়েছে। ১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে সৈনিক হিসেবে যোগ দেন।
২৫ মার্চ তিনি চট্টগ্রামে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সেন্টারে প্রশিক্ষণরত ছিলেন। ওই রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর হামলার পর প্রাণে বেঁচে নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে মায়ের অনুমতি নিয়ে পরদিনই যশোর-চৌগাছা অক্ষে যুদ্ধরত ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি জেড ফোর্সের অন্তর্ভুক্ত এই রেজিমেন্টের সি কোম্পানিতে দায়িত্ব পালন করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্বসূচক খেতাব **‘বীরশ্রেষ্ঠ’** প্রদান করা হয়।
**শহীদের প্রত্যাবর্তন**
হামিদুর রহমানকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের হাতিমেরছড়া গ্রামে সমাহিত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তাঁর কবর পানির নিচে তলিয়ে যায়। ২০০৭ সালের ২৭ অক্টোবর তাঁর দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১০ ডিসেম্বর সীমান্ত দিয়ে দেহাবশেষ বাংলাদেশে আনা হয় এবং ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ঢাকার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁকে পুনরায় সমাহিত করা হয়।
**মাত্র ১৮ বছর বয়সে হামিদুর রহমান নিজের জীবন দিয়ে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।**
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। তাঁর আত্মত্যাগ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।
Sentient Fool retweeted
LOVE BNP
💝🌾🌾🌾🌾💝
বিএনপি করার প্রায়শ্চিত্তঃ আমাদের গল্প
AWAMI TERRORISM EXPOSED
পিরোজপুরের নাজেরপুর উপজেলার কলাতলা গ্রামের স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হানিফ শেখ ১১ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
২০১৪ সালের ৬ই অক্টোবরে আওয়ামী লীগপর নির্যাতনের স্বীকার হয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, হানিফ শেখ নিজ বাড়ি থেকে ব্যবসায়িক কাজে খুলনা যাওয়ার পথে উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের কুদিরবাড়ি বাজার সংলগ্ন জায়গা থেকে আটকে বেদম মারধর করে। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি(বর্তমানে, তখন সাধারণ সম্পাদক) মোঃ মোশাররফ খানের নির্দেশে দলীয় কার্যালয়ে এনে আরেক প্রস্হ বেদম প্রহার করে। এরপর হাসপাতালে ভর্তি করলে, সেখানে আড়াই তলা হাসপাতালের উপর থেকে নীচে ফেলে দেই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা৷ এই ঘটনায় তাকে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করলে হাসপাতাল পরবর্তী ৬ মাস কারাদন্ড ভোগ করেন। তখন থেকেই তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। হানিফ শেখের নামে এর বাইরেও ৫ টি গায়েবী মামলা রয়েছে।
হানিফ শেখকে হামলার দিন রাতে তাদের বাড়ি সহ পরের দিন স্হানীয় ৬টি বাড়িতে লুটতরাজ ও অগ্নিসংযোগ করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।
🥹🤲
Sentient Fool retweeted
The biggest bilateral win for Bangladesh since independence? Quite possibly.
Japan locks in a historic $6.34B investment package over 5 years. 200k jobs, massive infrastructure upgrades and a newly signed EPA.
In TR, we trust! 🇧🇩🤝🇯🇵
tbsnews.net/bangladesh/japan…
Sentient Fool retweeted
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান @trahmanbnp এর নিকট আকুল আবেদন
সাংবাদিক আলিফকে মরণোত্তর পুরস্কার দিন৷ তার স্ত্রীকে চাকুরী দিন।
মাফিয়াদের নিয়ে রিপোর্ট করতে গিয়ে তাকে একাধিক বার হত্যার চেষ্টা করা হয়। তারপরেও তিনি দমে যাননি। এইরকম বিরল সাংবাদিকতাকে অবশ্যই একনোলেজ করতে হবে।
সাংবাদিক আলিফের কন্যা আর সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়র কন্যা এই দুজনকে দেখলে ত চোখের পানি আটকিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছেনা।
Sentient Fool retweeted
কথায় বলে সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে , জুলাই ২৪ এর পরে তোমাদের নিয়ে অনেক আশা করেছিলাম, কিন্তুু আশার গুড়ে বালি ।
গোপাল ভাঁড় খ্যাত নাহিদ ইসলাম তোমাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দেখতাম। কিন্তু তুমি আজকে মন্তব্য করেছো, তারেক রহমান অবৈধ। তারেক রহমান হাসিনার মতোই, কোন পার্থক্য নেই।
তুমি যেই সংসদের প্রধানমন্ত্রীকে অবৈধ বললে তুমি কিন্তু সেই সংসদের বিরোধীদলীয় চীপহুইপ। তুমি সেই সংসদের সংসদ সদস্য। যদি তারেক রহমান অবৈধ হয় তাহলে কি তুমি আগামীকাল সকালে পদত্যাগ করবা?
দ্বিতীয়ত কাকে তুমি হাসিনার সঙ্গে মিলিয়ে ফেললে? যে নির্বাচিত হওয়ার পর বিরোধীদলীয় নেতার বাসায় নিজে গিয়েছিল? যে তোমার বাসায় নিজে গিয়েছিল? যে চরমোনাই পীরের বাসায় গিয়েছে? সে কিভাবে হাসিনার সঙ্গে এক হয়? হাসিনা কী তার বিরোধী পক্ষকে তারেক রহমানের চোখে দেখতো?
কাকে তুমি হাসিনার সঙ্গে মিলিয়ে ফেললে নাহিদ?
যদি তারেক রহমান হাসিনা হতো তাহলে তোমার দাপনা লাল হয়ে থাকতো। এই ৮ মাসে কোন বিচার বহির্ভূত হ-ত্যা হয়নি, কোন আয়নাঘর হয়নি, কোন রাজনৈতিক নেতাকে বিনাকারণে জেলে যেতে হয়নি, কোন ব্যক্তিকে গু-ম হতে হয়নি।
জিয়ার পরিবারের জন্য আলাদা কোন সুরক্ষা আইন হয়নি যেটা হাসিনা শেখ পরিবারের জন্য করেছিলো। কাকে তুমি হাসিনার সঙ্গে মিলিয়ে ফেললে?
যিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রধান তাকে? ২০১৪,১৮,২৪ এর মতো নির্বাচন করে তারেক রহমান ক্ষমতায় যায়নি। সুতরাং ভেবেচিন্তে মন্তব্য কইরো । মনে রেখো এটা জনগণের সরকার। মন্তব্য যেন জনগণকে ক্ষেপিয়ে না তোলে সেদিকটা খেয়াল কইরো।
Sentient Fool retweeted
Great to see Tarek in the PM’s entourage for the state visit. He’s a true fighter for democracy, and I believe his contribution to the July uprising was immense. Critics may disagree, but I appreciate the decision to include a genuine face of July in the state delegation.
Sentient Fool retweeted
বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা রাজনীতির গতিপথ বুঝতে পারছেননা । বোঝা দরকার পতিত সরকার বাংলাদেশকে একটা উত্তপ্ত চুলা বানিয়ে রেখে গেছেন। বাংলাদেশ তার পথ চলায় হোচট খেলে কেবল বিদ্ধস্তই হবে না কোমর সোজা করে দাড়ানো কষ্টকর হবে। দেশের বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দিন।
Sentient Fool retweeted
The difference between a nation that stands by the principle of equity and one that behaves like a barbaric, uncouth, morally bankrupt mob masquerading as a country.
জনতার ইশরাক, জনতার জন্য, ছিল, আছে, থাকবে।
Today at 2 PM, I will formally announce my resignation as State Minister for Liberation War Affairs at the National Press Club and address the media, Insha’Allah.
I have noticed some self-proclaimed intellectuals celebrating on Facebook. I hope that if our nation ever needs another political movement, they too will return from abroad to join the struggle, inspired by nationalist ideals.
I will now fight against drugs with a hundred times more determination—not as a minister or MP, but as a dedicated BNP activist.
Our cleanliness campaigns will intensify, and I will travel nationwide to strengthen the organizational network of Projonmo Dal.
Not ministerial power, but a drug-free society!
Eradicate drugs! Eradicate drugs!
Sentient Fool retweeted
Solid intent turns resistance into strength. Ishraque will come back stronger than ever; straight from the streets of Dhaka, with the people behind him.
Today at 2 PM, I will formally announce my resignation as State Minister for Liberation War Affairs at the National Press Club and address the media, Insha’Allah.
I have noticed some self-proclaimed intellectuals celebrating on Facebook. I hope that if our nation ever needs another political movement, they too will return from abroad to join the struggle, inspired by nationalist ideals.
I will now fight against drugs with a hundred times more determination—not as a minister or MP, but as a dedicated BNP activist.
Our cleanliness campaigns will intensify, and I will travel nationwide to strengthen the organizational network of Projonmo Dal.
Not ministerial power, but a drug-free society!
Eradicate drugs! Eradicate drugs!
Sentient Fool retweeted
শিবির যেভাবে রগ কাটা পার্টি হিসেবে পরিচিত হয়ঃ ১৯৮৮ সালের ৩১ মে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে প্রকাশ্য দিবালোকে জনপ্রিয় ছাত্রনেতা ও ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি জামিল আক্তারকে ছাত্র-শিক্ষকদের সামনে কুপিয়ে হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যা করে। এ ঘটনার পর থেকে রগ কাটা সংগঠন হিসেবে পরিচিতি পায় ছাত্রশিবির। পড়ুন পিনাকির লেখাঃ
Sentient Fool retweeted
গুপ্তদের বলছি , ভালো হয়ে যাও ।
এনসিপির হাসনাত, সারজিসসহ যত নেতা আছেন—নাহিদ বাদে—এবং শিবিরের সাদিক কাইয়ুম ও ফরহাদ, তোমরা এমন একটা ছবি দেখাও।
নুরুল হক নুর যখন ছাত্রলীগের হাতে মা-র খাচ্ছিলেন, তখন এনসিপির হাসনাত ছাত্রলীগের গোলাম রব্বানিকে ‘ভাই, ভাই’ বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলতেন। এনসিপির আরেক নেতা সারজিস বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা লিখতেন।
নুরুল হক নুর যখন ছাত্রলীগের হাতে মা-র খাচ্ছিলেন, তখন শিবিরের সাদিক কাইয়ুম ও ফরহাদ ছাত্রলীগের মিছিল করতেন।
আজ নুরুল হক নুর বলেছেন, জামায়াত এই দেশে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে পুনর্বাসন করা হবে। এই কথাগুলো আমরা অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা অনেক আগে থেকেই বলে আসছি।
নুরুল হক নুর আজ সত্যি কথাটা বলেছেন। অথচ এখন জামায়াত ও এনসিপি নুরুল হক নুরকে আক্রমণ করছে।
জুলাই আন্দোলনের সময় নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তখন প্রিজন ভ্যান থেকে তিনি বলেছিলেন, ‘৯০ শতাংশ সরকার পতন হয়ে গেছে, ১০ শতাংশ ধাক্কা দিতে হবে।’ তাঁর সেই কথাটা আন্দোলনকারীদের সাহস জুগিয়েছিল।
নুরুল হক নুর আজ প্রতিমন্ত্রী। তিনি রাজপথ থেকে মা-র খেতে খেতে নেতা হয়েছেন।
নুরকে নিয়ে ট্রল করার আগে একটু চিন্তা করো, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তোমাদের অবদান কী?























