Pinned Tweet
কেন আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট কে ধারণ করি অর্থাৎ পাকিস্তানপন্থী ??
=================================================================
পাকিস্তান;
কিংবা পাকিস্তান প্রজেক্ট ;
নামটি দেশ হিসেবে যতটা না গুরুত্বপূর্ণ তার থেকে শতগুণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মতবাদ হিসেবে।
একারনেই আমি পাকিস্তান বলার চেয়ে পাকিস্তান প্রজেক্ট বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
আপনি কি বাংলাদেশ এর অবস্থান মানচিত্রে খেয়াল করেছেন??
পশ্চিম প্রান্তের ভূমধ্যসাগর এর পাড় থেকে যে ইসলামের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিলো পূর্বপ্রান্তে তার সর্বশেষ অবস্থান হচ্ছে বাংলাদেশ, আসাম ও আরাকান।
হাজার হাজার বছর আগে ইন্দুস নদীর তীরে যে ইন্দু সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো, সেখানে ইসলামের ছোয়ায় বদলে যাওয়া পূর্ব প্রান্তের মানুষগুলোর সর্বশেষ অবস্থান আমাদের।
এবং সেই ভূমিপুত্র হিসেবে মুসলিমদের রাজনৈতিক পদযাত্রার যে ধারাবাহিকতা বা সিলসিলা তার সমাপ্তি ঘটে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাংলার পতনের মধ্যে দিয়ে।
ঠিক সেই ১৭৫৭ সাল বা তার আশেপাশের বিভিন্ন বছর থেকেই মূলত মুসলিম রা তাদের সাথে প্রতারণার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পায়।
হাজার হাজার বছর ধরে ইন্দুজ সভ্যতার মানুষ যে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিরা ছিল, তাদের মাঝেই অনেকে সত্য ধর্ম ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সত্যান্বেষণ করতে গিয়ে ইসলামকে আলিঙ্গন করে। কিন্তু ইন্দুজ সভ্যতার অগ্নি উপাসক এবং ইসলাম কে আলিঙ্গন করা সকলেই পাশাপাশি থেকেছে আপন ভাইয়ের মত, কখনো মুসলিমরা কোন অগ্নি উপাসকের উপর ধর্ম পরিবর্তনের জন্য বল প্রয়োগ করেনি।
তবে যখন কোন এলাকার মজলুম দূর্বল মুসলিমরা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তখন অন্য শক্তিশালী কোন মুসলিম শাসক হয়ত তাদের সাহায্যের জন্য অথবা মুসলিম শাসকরা তাদের রাজ্য সম্প্রসারণে যুদ্ধ করেছে; কিন্তু কখনো ধর্মান্তরিত করতে বলপ্রয়োগ করেনি, বরং যুদ্ধের পরেই সহবস্থানে থেকেছে, এমনকি অনেক মুসলিম শাসক নিজেই অগ্নি উপাসনা করেছে বা মুসলিম ধর্মের চেয়ে অন্য ধর্মের প্রতি বেশি উৎসাহী ছিল; সম্রাট আকবর তো নিজেই একটা নতুন ধর্মের প্রচলন করে ফেলেছিলেন।
ধারণা করি শাসন ক্ষমতায় থেকে এইসকল অগ্নি উপাসকদের সাথে সহবস্থানের ফলে তারা মুসলিম মাইন্ড কে সাংঘাতিকভাবে ক্রপট বা দূষিত করে ফেলে। যতধরনের প্রতারণা, শঠতা, ধূর্ততা, বেঈমানী সকল বৈশিষ্ঠ্যগুলো পর্যায়ক্রমে মুসলিমদের সৎ গুনাবলীর মাঝে সঞ্চারিত হতে থাকে। অন্যদিকে মুসলিমদের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে নষ্ঠ করতে গোপনে ষড়যন্ত্র করতে থাকে এই সকল অগ্নি উপাসক ও অন্যান্য মূর্তি পূজারিরা।
যার মোক্ষম বেঈমানীর সুযোগটি আসে ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সম্রাজ্যের বাংলার নবাব সিরাজ-উদ্দ-দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে অথচ নবাব অনেক অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিকে তার দরবারে মন্ত্রী হিসেবে রেখেছিলো।
এখানে লক্ষ্যনীয় ও চিন্তার খোরাক হচ্ছে ইরেংজ রা কিন্তু এই বাংলা দিয়েই মুঘল সম্রাজ্যের পতনের শুরুটা করেছিলো তারপরে পর্যায়ক্রমে পুরো ইন্দু সভ্যতার অঞ্চলকে গ্রাস করে। অর্থাৎ এই ঘটনার মাধ্যমে একটি বিষয় প্রকাশ পায় যে, আমরা বাংলার মুসলিম সমাজ আমরা অনেক আগে থেকেই সহজ-সরল বোকা টাইপ ছিলাম যাদের আইকিউ পূর্বপুরুষের আমল থেকেই অনেক নিম্নমানের; আর এই সুযোগ টাই গ্রহণ করে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পুজারিরা মুসলিমদের এক্সপ্লয়েট করতে সক্ষম হয়।
রাতারাতি সমৃদ্ধশালী মুসলিমদের ভূমির মালিকানা কেড়ে নিয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিদের জমিদার করে দেওয়া হয়। রাতারাতি মুসলিমরা হয়ে যায় রাস্তার ফকির বা অন্যের জমির দাস বা কামলা।
তারপর ২০০ বছরের অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করে আমরা যখন আমাদের অধিকার ফিরে পাবার চেষ্টা করে গেছি, আমাদের মুসলিমদের পদে পদে বাধাগ্রস্থ করেছে এসব মূর্তি পুজারিরা। এমনকি শেষ পর্যায়ে এসে বঙ্গভঙ্গ র মাধ্যম দিয়ে মুসলিমদের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগটাও নষ্ট করে দেয়; কারন এই বঙ্গভঙ্গ যদি কার্যকর থাকতো তাহলে ১৯৪৭ সালের মুসলিম বাঙ্গালি রা অনেক বড় মানচিত্রের একটি স্বাধীন দেশ পেতো বৃটিশ রা চলে গেলে। মূর্তি পূজারিরা সেটা হতে দেয় নাই; এমনকি বঙ্গভঙ্গ বাতিল করার বিনিময়ে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা ছিল সেটাও বাঁধা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেছে এবং সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা পিছিয়ে দিয়েছে।
এভাবেই একেরপর এক মুসলিম বাঙ্গালিরা প্রতারণার শামিল হয়েছে প্রত্যহ।
অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাতের পর অবশেষে আসে মুসলিম বাঙ্গালির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ - পাকিস্তান প্রজেক্ট।
এই পৃথিবী তে যতগুলো দেশের ভূখন্ড তৈরি হয়েছে মূলত সেসব দেশ তৈরি হয়েছে সেখানে বসবাসকৃত জাতির নামের সাথে মিল রেখে। শুধুমাত্র পাকিস্তান প্রজেক্ট ও অন্যান্য কয়েকটি দেশ তৈরি হয়েছে যেখানে কোন জাতিসত্তার সাথে মিল নেই।
আপনি ১৯৪০ সালের আগে গেলে পাকিস্তান নামে কোন রাষ্ট্র তো দূরে থাক, এই সম্পর্কিত কোন সামান্য ইতিহাসও পাবেন না। এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্নদ্রষ্টা প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল।
তাঁর স্বপ্নের পাকিস্তান প্রজেক্ট ছিল মূলত এই ইন্দু সভ্যাতার ভূমিপুত্র মুসলিমদের নিরাপত্তা বিধান করা। দার্শনিক হিসেবে অনেক দূরদৃষ্টি সম্পন্ন আল্লামা ইকবাল এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্ন দেখেছিলেন; যার রাজনৈতিক বাস্তবতা দিয়ে গেছেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং সেই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর সাথে বাংলার মুসলিমদের যুক্ত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন ডাইরেক্ট একশন ডে এর রূপকার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
আমাদের পূর্বপুরুষদের লাখ লাখ মানুষ তাদের রক্ত দিয়ে, দুঃখ-কষ্টের মাধ্যমে, তাদের জীবনের সকল কিছু দিয়ে এই জমিনে মুসলিমদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছে; অথচ ক্ষমতাসীন গুটিকয়েক মুসলিম নামধারী মূলত মূর্তি পূজারির বেঈমানীর ফলে এই জমিনের মুসলিম বাঙ্গালিদের বার বার প্রতারিত হতে হয়েছে।
এই প্রতারণা প্রথমদিকে আঞ্চলিকভাবে অর্থাৎ অঞ্চলভেদে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বাস্তবায়িত হলেও মুঘল সম্রাজ্যের পতনের পর যে পুরো ইন্দুজ সভ্যতা থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করার প্রক্রিয়া ছিল সেটা অনেক পরে এসে মুসলিম জাতি বুঝতে পারে।
এছাড়া, আপনি যদি পৃথিবীর মানচিত্রের দিকে আবার দৃষ্টি ফেরান; দেখবেন একই ধর্মের মানুষের দেশগুলো পাশাপাশি অবস্থিত; যেমন ইউরোপের সকল দেশ হচ্ছে খ্রিশ্চিয়ান প্রধান; আবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ইসলাম প্রধান এবং ইস্ট এশিয়ার দেশগুলো বৌদ্ধ প্রধান। অথচ বাংলাদেশের অবস্থান এমন যে দেশটির পাশে আর কোন মুসলিম রাষ্ট্র নেই; যেন অসীম সমুদ্রে এক টুকরো দ্বীপ।
ঠিক এই অবস্থান থেকেই মুসলিম জাতির হারানো গৌরব, ইতিহাস ও রাজনৈতিক অবস্থান ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় আল্লামা ইকবালের পাকিস্তান প্রজেক্ট; হিন্দুত্ববাদীদের কবল থেকে মুসলিমদের রক্ষার প্রজেক্ট।
একারণে পাকিস্তান শব্দটা যতটা না একটি দেশ কে রিপ্রেজেন্ট করে তার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একটি মতবাদ হিসেবে। হয়ত দার্শনিক আল্লামা ইকবাল বুঝেছিলেন যে এই অসভ্য উগ্র মূর্তি পূজারিদের সাথে সহাবস্থানের মাধ্যমে ভবিষ্যতে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে, একারনে মুসলিমদেরকে একসাথে নিয়ে আলাদা দেশ গড়ে তাদের রক্ষা করাটা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
হয়ত তিনি বুঝেছিলেন যে স্বাধীন পাকিস্তান প্রজেক্ট এর মাধ্যমে হয়ত পুরো ইন্দুজ সভ্যতার এই অঞ্চলকে সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায়িত হয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলেও অন্ততপক্ষে মুসলিমদের একটা সম্মানজনক অবস্থান ও নাগরিক অধিকার গুলো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
একজন দার্শনিক ও কবি হিসেবে তিনি সেই ১৯০০ সাল পরবর্তীতে যে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রকল্পের কথা বলে গিয়েছিলেন, যে প্রকল্প পরবর্তীতে রাজনৈতিকভাবে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কন্টিনিউ করে গেছিলেন সেটা যে কতটা বাস্তবসম্মত তা আজ একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইন্ডিয়ার দিকে তাকালে খুব সহজেই বোঝা যায়।
মূলত একারণেই আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট এর ধারক বা পাকিস্তানপন্থি; আমার কাছে পাকিস্তান একটি দেশের পরিবর্তে একটি প্রকল্প হিসেবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা মুসলিমদেরকে স্বাধীনতার এক অমৃত সুধা উপহার দেয়।
🤖 Made with AI
বুদ্ধিমান দেশপ্রেমিক রা কমেন্টে বলেন তো কেন ইতালি ভাষা সিলেক্ট করতে যাচ্ছে সরকার??
যেখানে সারা বিশ্বে মাত্র ৬ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ ইটালিয়ান ভাষায় কথা বলে এবং ২১ তম অবস্থানে রয়েছে ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক দিয়ে।
Truth Analyst retweeted
Motherland and Fatherland Duo!
India and Israel are only two countries to vote against UN General Assembly's draft resolution on regional conventional arms control. The draft resolution was proposed by Pakistan and Belarus, and 180 countries supported it to be passed.
Truth Analyst retweeted
Hundreds of homes have been bulldozed in the Dhubri district of Assam state in northeastern India as part of a government campaign to evict families it says do not legally live there.
Truth Analyst retweeted
Get proxies that deliver on speed, privacy, and price. With us, you get reliable performance and global reach.
BJP MLA Rameshwar Sharma sparked controversy after claiming that the moon belongs to Sanatan Dharma, as it is associated with Lord Shiva. He remarked that Muslims celebrate Eid by sighting what he called the 'Sanatan moon' and suggested they should also praise Sanatan Dharma while celebrating the festival.
Muslim leader Abbas Hafeez criticised the remarks, saying Muslims do not need permission from Sharma to celebrate Eid. He added that the moon belongs to everyone, regardless of religion, and urged the BJP to issue guidelines to its MLAs.
From: ANI News
ভারতে নয় বছরের হিন্দু ছেলে একটা ছয় বছরের একটি মুসলমান মেয়ের মাথায় ইট দিয়ে বার বার মেরে মাথা গুরো করে দিয়েছে। মন অসম্ভব রকম শক্ত না হলে এই ভিডিও দেখা সম্ভব না। তাদের সমাজে মুসলমান ঘৃণা কোন পর্যায়ে ভাবা যায়?
ভারত গোরুর গোস্ত রপ্তানিতে বিশ্বের ৩য়, সেই দেশের হাইকোর্ট গোরু কুরবানি করায় ৩ জন মুসলমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।
কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মুসলমান অধ্যাপিকাকে হিন্দুরা মব করে পদচ্যুত করে তার বসার কক্ষ গো-মূত্র দিয়ে পবিত্র করেছে।
আসামে কয়েক হাজার মুসলমানের শত বছরের বসতি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ধ্বংস করেছে।
এই সব ঘটনা ঘটেছে গত এক মাসের মধ্যে।
আমি যখনই ভারতের মুসলমানদের উপর চলা জুলুনের স্টিমরোলার দেখি ততবার মনে মনে পূর্ব বাঙলার গাদ্দার এবং অপদার্থ পাঞ্জাবি অফিসারদের গালি দেই।
পুরো উপমহাদেশের মুসলমানেরা হাজার বছর ধরে একই জাতি। সিলেটের বোরহান উদ্দিন বিপদে পরলে দিল্লির মুসলমানের কাছে সাহায্য চেয়েছে, তারা সাহায্য করেছেও।
১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছে শুধুমাত্র বর্তমান বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মুসলমানদের জন্য না।
বর্তমান ভারতের মুসলমানদের সাতচল্লিশের স্বাধীনতার পেছনে সমপরিমাণ কিংবা অনেকক্ষেত্রে বেশি অবদান, অনেক বেশি কুরবানি আছে।
শক্তিশালী পাকিস্তান ছিল ভারতের মুসলমানদের নিরাপত্তার প্রধান গ্যারান্টি। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত, ভারতে গুজরাট গণহত্যা ছিল না, কাস্মীর মিলিটারাইজ ছিল না, বাবরি মসজিদের ঘটনা ছিল না।
১৯৭১ সাল পর্যন্ত ভারতের মুসলমানদের প্রভাব এতবেশি ছিল যে ভারত ইজরাইলকে স্বীকৃতি পর্যন্ত দেয় নাই। মুসলমানদের আপত্তির কারনে ভারতের সাথে সরাসরি কূটনৈতিক সম্পর্ক করে নাই।
একাত্তরের পর সেই মুসলমানদের কি অবস্থা হয়েছে....
সাতচল্লিশে স্বাধীন হবার পরে, দুইশত বছর পরে হিন্দু জমিদারের গোলামি থেকে মুক্ত হবার দুই সপ্তাহের মধ্যে পূর্ব বাঙলার যবনেরা নিজেদের মুসলমান পরিচয় ছুড়ে ফেলে বিরাট বাঙালি বাবু হয়ে বসে।
ভারতের হিন্দুদের টাকা-পয়সা অস্ত্র নিয়ে দেশ ভাগ করে। দেশের নাম থেকে শুরু করে রাস্তা নাম, বই, স্কুল, কলেজ, হল, বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের নামসহ সকল জায়গা থেকে মুসলমানি চিহ্ন ঝেটিয়ে বিদায় করে এবং অরক্ষিত করে ফেলে ভারতের মুসলমানদের।
এজন্য ভারতের মুসলমানেরা পূর্ব বাংলার যবনদের ভারতের অনেক এলাকার মসজিদে ঢুকতে দেয় না। আল মাহমুদ, বুলবুল সারওয়ার, আহমেদ ছফাসহ একাধিক লেখক এই অভিজ্ঞতার কথা লিখেছে।
ঝিলাম নদীর দেশে বইতে বুলবুল সারওয়ার লিখেছেন দিল্লির এক মসজিদের খাদেম তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেয়, 'মিল্লাত কা গাদ্দার, ভাগো ইহাসে' বলে।
-- মির সালমান।
Truth Analyst retweeted
#July36
My badge of honor after countering a BJP/RSS paid puppet politician spewing propaganda and hatred against Bangladesh.
Truth Analyst retweeted
হিন্দু দের মুসলিম নিপীড়ন এর ইতিহাসঃ
১. মুসলিম যারা দাড়ি রাখবে ও গোফ ছাটবে তাদেরকে দাড়ির জন্য ফি আড়াই টাকা ও গোফের জন্য পাচ সিকা খাজনা দিতে হবে।
২. সন্তানদের আরবি নাম রাখলে ৫০ টাকা খাজনা।
৩. গরু কোরবানি দিলে তার ডান হাত কেটে নেওয়া হতো।
অথচ, গো-মাতা যার -- নদী মাতা (মা) যার বা নদীমাতৃক।
সেই গো এর প্রকৃত অর্থ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নদীতে ড্যাম বসানো অন্যদিকে গরুর মাংস রফতানি তে পৃথিবীতে ২য় হওয়া কিন্তু মুসলিম রা গরুর মাংস খেলে পিটিয়ে হত্যা করার যে ব্যপার টা, সেটা হচ্ছে বর্তমান নির্যাতন ও হিপোক্রেসির চূড়ান্ত রূপ।
Truth Analyst retweeted
আপনি খেয়াল করলে দেখবেন;
বাংলাদেশে কোন মুসলিম কে ধর্ষণের দায়ে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়, কিন্তু কোন হিন্দু নাগরিক হলে তাকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন সাজা।
এই বৈষম্য কি আপনাদের চোখে পড়েছে??
এখন আপনি নিজেই বলুন বাংলাদেশ কাঠামোগত ভাবে ও আইডিওলজিক্যালি হিন্দু রাষ্ট্র নয় কি??
সামান্য ব্যবসা করে খেতে চাইলেও চুপচাপ থাকবেন, বেশি অভিযোগ জানিয়েছেন তো সংবিধান বিশেষজ্ঞ আপনাকে জেলের ভাত খাওয়াবে।
এর আগে রবিবার দুপুরে ‘সাথী মেকওভার’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঘনঘন চুরির ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। লাইভে তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি তার দুটি শোরুম ও আশপাশের বেশ কয়েকটি দোকানের বিদ্যুতের তার, এসির তার এবং বাসা থেকে অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়ে গেছে। এতে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।
ব্যবসায়িক নিরাপত্তা ও দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির অভিযোগ তুলে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সব হারিয়ে আজ পাগল হওয়ার মতো অবস্থা। কাকে ভোট দিয়ে আজ এই ভুক্তভোগী হলাম! লাইভে তিনি ভোট দেওয়া নিয়ে অনুশোচনা প্রকাশ করে বিএনপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার চরম অবনতির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
লাইভটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
রাতে উত্তেজিত জনতা ও রাজনৈতিক কর্মীরা স্কয়ার মাস্টারবাড়ী এলাকায় সাথী আক্তারের পার্লারে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এমন অবস্থায় পার্লারে ভাঙচুরের আশঙ্কায় স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সাথী আক্তারকে নিরাপত্তা ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়ে থানায় যায়।
এন এস আই মহাপরিচালক ইন্ডিয়া কেনো?? তারেক রহমান কি আওয়ামিলীগ কে ফিরিয়ে আনার জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে নাকি?
যেন আর বেশি প্রাণহানী না হয় একারনে শেখ হাসিনা দ্রুত ইন্ডিয়া চলে যায়;
একারণে শেখ হাসিনা ও জুলাই এর পক্ষের শক্তি;
এমনকি ইন্ডিয়া যেহেতু হাসিনা কে গ্রহণ করে আদরযত্নে রেখেছে একারণে ইন্ডিয়া ও জুলাইয়ের পক্ষের শক্তি
সৌদি আরবের ২ জন বাংলাদেশিকে শিরোচ্ছেদ এর মৃত্যু তে দায়ী হচ্ছে এক ইন্ডিয়ান; যে তার মোবাইলে ভিডিও করে ব্লাকমেইল করে এবং পুরো আরবে হারাম শরিফের ভেতর চুমুর ভিডিওটা ছড়িয়ে দেয়।
যদিও সে ইন্ডিয়ার পশ্চিমবঙ্গের এক মুসলিম, সমস্যা হচ্ছে এই বাংলার মুসলিম রা শতশত বছর ধরে হিন্দুদের সাথে মিশে মিশে তাদের ডিএনএ-তে পরিবর্তন ঘটে গেছে।
যাদের কে আমি বলি হাফ হিন্দু হাইব্রিড বাংগু মুসলিম।
যতদিন না পর্যন্ত এই মুসলিম বাংগালীরা মুসলিম জাতীয়তাবাদ চর্চা না করবে, মুসলিম জাতীয়তাবাদ নিয়ে গবেষণা না করবে এবং এই মুসলিম জাতীয়তাবাদ কে ভিত্তি বা বেজ না ধরে রাজনীতি না করবে;
ততদিন ডিএনএ-তে মিশে থাকা এই হিন্দুত্ববাদী ক্রোমোজম তাকে কুড়ে কুড়ে নিঃশেষ করে ফেলবে।
একারণে আমাদের পূর্বপুরুষেরা মুসলিম জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করে একটা পূর্নাঙ্গ দেশ পাকিস্তান গঠন করে গেছে, পাকিস্তান কে শক্তিশালী ভিত্তির উপর দাড় করিয়েছে।
আর বর্তমানের হাইব্রিড বাংগু মুসলিমরা সে সকল ইতিহাস ভুলে গেছে
কেন আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট কে ধারণ করি অর্থাৎ পাকিস্তানপন্থী ??
=================================================================
পাকিস্তান;
কিংবা পাকিস্তান প্রজেক্ট ;
নামটি দেশ হিসেবে যতটা না গুরুত্বপূর্ণ তার থেকে শতগুণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মতবাদ হিসেবে।
একারনেই আমি পাকিস্তান বলার চেয়ে পাকিস্তান প্রজেক্ট বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
আপনি কি বাংলাদেশ এর অবস্থান মানচিত্রে খেয়াল করেছেন??
পশ্চিম প্রান্তের ভূমধ্যসাগর এর পাড় থেকে যে ইসলামের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিলো পূর্বপ্রান্তে তার সর্বশেষ অবস্থান হচ্ছে বাংলাদেশ, আসাম ও আরাকান।
হাজার হাজার বছর আগে ইন্দুস নদীর তীরে যে ইন্দু সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো, সেখানে ইসলামের ছোয়ায় বদলে যাওয়া পূর্ব প্রান্তের মানুষগুলোর সর্বশেষ অবস্থান আমাদের।
এবং সেই ভূমিপুত্র হিসেবে মুসলিমদের রাজনৈতিক পদযাত্রার যে ধারাবাহিকতা বা সিলসিলা তার সমাপ্তি ঘটে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাংলার পতনের মধ্যে দিয়ে।
ঠিক সেই ১৭৫৭ সাল বা তার আশেপাশের বিভিন্ন বছর থেকেই মূলত মুসলিম রা তাদের সাথে প্রতারণার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পায়।
হাজার হাজার বছর ধরে ইন্দুজ সভ্যতার মানুষ যে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিরা ছিল, তাদের মাঝেই অনেকে সত্য ধর্ম ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সত্যান্বেষণ করতে গিয়ে ইসলামকে আলিঙ্গন করে। কিন্তু ইন্দুজ সভ্যতার অগ্নি উপাসক এবং ইসলাম কে আলিঙ্গন করা সকলেই পাশাপাশি থেকেছে আপন ভাইয়ের মত, কখনো মুসলিমরা কোন অগ্নি উপাসকের উপর ধর্ম পরিবর্তনের জন্য বল প্রয়োগ করেনি।
তবে যখন কোন এলাকার মজলুম দূর্বল মুসলিমরা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তখন অন্য শক্তিশালী কোন মুসলিম শাসক হয়ত তাদের সাহায্যের জন্য অথবা মুসলিম শাসকরা তাদের রাজ্য সম্প্রসারণে যুদ্ধ করেছে; কিন্তু কখনো ধর্মান্তরিত করতে বলপ্রয়োগ করেনি, বরং যুদ্ধের পরেই সহবস্থানে থেকেছে, এমনকি অনেক মুসলিম শাসক নিজেই অগ্নি উপাসনা করেছে বা মুসলিম ধর্মের চেয়ে অন্য ধর্মের প্রতি বেশি উৎসাহী ছিল; সম্রাট আকবর তো নিজেই একটা নতুন ধর্মের প্রচলন করে ফেলেছিলেন।
ধারণা করি শাসন ক্ষমতায় থেকে এইসকল অগ্নি উপাসকদের সাথে সহবস্থানের ফলে তারা মুসলিম মাইন্ড কে সাংঘাতিকভাবে ক্রপট বা দূষিত করে ফেলে। যতধরনের প্রতারণা, শঠতা, ধূর্ততা, বেঈমানী সকল বৈশিষ্ঠ্যগুলো পর্যায়ক্রমে মুসলিমদের সৎ গুনাবলীর মাঝে সঞ্চারিত হতে থাকে। অন্যদিকে মুসলিমদের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে নষ্ঠ করতে গোপনে ষড়যন্ত্র করতে থাকে এই সকল অগ্নি উপাসক ও অন্যান্য মূর্তি পূজারিরা।
যার মোক্ষম বেঈমানীর সুযোগটি আসে ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সম্রাজ্যের বাংলার নবাব সিরাজ-উদ্দ-দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে অথচ নবাব অনেক অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিকে তার দরবারে মন্ত্রী হিসেবে রেখেছিলো।
এখানে লক্ষ্যনীয় ও চিন্তার খোরাক হচ্ছে ইরেংজ রা কিন্তু এই বাংলা দিয়েই মুঘল সম্রাজ্যের পতনের শুরুটা করেছিলো তারপরে পর্যায়ক্রমে পুরো ইন্দু সভ্যতার অঞ্চলকে গ্রাস করে। অর্থাৎ এই ঘটনার মাধ্যমে একটি বিষয় প্রকাশ পায় যে, আমরা বাংলার মুসলিম সমাজ আমরা অনেক আগে থেকেই সহজ-সরল বোকা টাইপ ছিলাম যাদের আইকিউ পূর্বপুরুষের আমল থেকেই অনেক নিম্নমানের; আর এই সুযোগ টাই গ্রহণ করে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পুজারিরা মুসলিমদের এক্সপ্লয়েট করতে সক্ষম হয়।
রাতারাতি সমৃদ্ধশালী মুসলিমদের ভূমির মালিকানা কেড়ে নিয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিদের জমিদার করে দেওয়া হয়। রাতারাতি মুসলিমরা হয়ে যায় রাস্তার ফকির বা অন্যের জমির দাস বা কামলা।
তারপর ২০০ বছরের অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করে আমরা যখন আমাদের অধিকার ফিরে পাবার চেষ্টা করে গেছি, আমাদের মুসলিমদের পদে পদে বাধাগ্রস্থ করেছে এসব মূর্তি পুজারিরা। এমনকি শেষ পর্যায়ে এসে বঙ্গভঙ্গ র মাধ্যম দিয়ে মুসলিমদের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগটাও নষ্ট করে দেয়; কারন এই বঙ্গভঙ্গ যদি কার্যকর থাকতো তাহলে ১৯৪৭ সালের মুসলিম বাঙ্গালি রা অনেক বড় মানচিত্রের একটি স্বাধীন দেশ পেতো বৃটিশ রা চলে গেলে। মূর্তি পূজারিরা সেটা হতে দেয় নাই; এমনকি বঙ্গভঙ্গ বাতিল করার বিনিময়ে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা ছিল সেটাও বাঁধা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেছে এবং সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা পিছিয়ে দিয়েছে।
এভাবেই একেরপর এক মুসলিম বাঙ্গালিরা প্রতারণার শামিল হয়েছে প্রত্যহ।
অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাতের পর অবশেষে আসে মুসলিম বাঙ্গালির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ - পাকিস্তান প্রজেক্ট।
এই পৃথিবী তে যতগুলো দেশের ভূখন্ড তৈরি হয়েছে মূলত সেসব দেশ তৈরি হয়েছে সেখানে বসবাসকৃত জাতির নামের সাথে মিল রেখে। শুধুমাত্র পাকিস্তান প্রজেক্ট ও অন্যান্য কয়েকটি দেশ তৈরি হয়েছে যেখানে কোন জাতিসত্তার সাথে মিল নেই।
আপনি ১৯৪০ সালের আগে গেলে পাকিস্তান নামে কোন রাষ্ট্র তো দূরে থাক, এই সম্পর্কিত কোন সামান্য ইতিহাসও পাবেন না। এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্নদ্রষ্টা প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল।
তাঁর স্বপ্নের পাকিস্তান প্রজেক্ট ছিল মূলত এই ইন্দু সভ্যাতার ভূমিপুত্র মুসলিমদের নিরাপত্তা বিধান করা। দার্শনিক হিসেবে অনেক দূরদৃষ্টি সম্পন্ন আল্লামা ইকবাল এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্ন দেখেছিলেন; যার রাজনৈতিক বাস্তবতা দিয়ে গেছেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং সেই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর সাথে বাংলার মুসলিমদের যুক্ত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন ডাইরেক্ট একশন ডে এর রূপকার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
আমাদের পূর্বপুরুষদের লাখ লাখ মানুষ তাদের রক্ত দিয়ে, দুঃখ-কষ্টের মাধ্যমে, তাদের জীবনের সকল কিছু দিয়ে এই জমিনে মুসলিমদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছে; অথচ ক্ষমতাসীন গুটিকয়েক মুসলিম নামধারী মূলত মূর্তি পূজারির বেঈমানীর ফলে এই জমিনের মুসলিম বাঙ্গালিদের বার বার প্রতারিত হতে হয়েছে।
এই প্রতারণা প্রথমদিকে আঞ্চলিকভাবে অর্থাৎ অঞ্চলভেদে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বাস্তবায়িত হলেও মুঘল সম্রাজ্যের পতনের পর যে পুরো ইন্দুজ সভ্যতা থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করার প্রক্রিয়া ছিল সেটা অনেক পরে এসে মুসলিম জাতি বুঝতে পারে।
এছাড়া, আপনি যদি পৃথিবীর মানচিত্রের দিকে আবার দৃষ্টি ফেরান; দেখবেন একই ধর্মের মানুষের দেশগুলো পাশাপাশি অবস্থিত; যেমন ইউরোপের সকল দেশ হচ্ছে খ্রিশ্চিয়ান প্রধান; আবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ইসলাম প্রধান এবং ইস্ট এশিয়ার দেশগুলো বৌদ্ধ প্রধান। অথচ বাংলাদেশের অবস্থান এমন যে দেশটির পাশে আর কোন মুসলিম রাষ্ট্র নেই; যেন অসীম সমুদ্রে এক টুকরো দ্বীপ।
ঠিক এই অবস্থান থেকেই মুসলিম জাতির হারানো গৌরব, ইতিহাস ও রাজনৈতিক অবস্থান ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় আল্লামা ইকবালের পাকিস্তান প্রজেক্ট; হিন্দুত্ববাদীদের কবল থেকে মুসলিমদের রক্ষার প্রজেক্ট।
একারণে পাকিস্তান শব্দটা যতটা না একটি দেশ কে রিপ্রেজেন্ট করে তার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একটি মতবাদ হিসেবে। হয়ত দার্শনিক আল্লামা ইকবাল বুঝেছিলেন যে এই অসভ্য উগ্র মূর্তি পূজারিদের সাথে সহাবস্থানের মাধ্যমে ভবিষ্যতে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে, একারনে মুসলিমদেরকে একসাথে নিয়ে আলাদা দেশ গড়ে তাদের রক্ষা করাটা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
হয়ত তিনি বুঝেছিলেন যে স্বাধীন পাকিস্তান প্রজেক্ট এর মাধ্যমে হয়ত পুরো ইন্দুজ সভ্যতার এই অঞ্চলকে সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায়িত হয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলেও অন্ততপক্ষে মুসলিমদের একটা সম্মানজনক অবস্থান ও নাগরিক অধিকার গুলো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
একজন দার্শনিক ও কবি হিসেবে তিনি সেই ১৯০০ সাল পরবর্তীতে যে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রকল্পের কথা বলে গিয়েছিলেন, যে প্রকল্প পরবর্তীতে রাজনৈতিকভাবে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কন্টিনিউ করে গেছিলেন সেটা যে কতটা বাস্তবসম্মত তা আজ একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইন্ডিয়ার দিকে তাকালে খুব সহজেই বোঝা যায়।
মূলত একারণেই আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট এর ধারক বা পাকিস্তানপন্থি; আমার কাছে পাকিস্তান একটি দেশের পরিবর্তে একটি প্রকল্প হিসেবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা মুসলিমদেরকে স্বাধীনতার এক অমৃত সুধা উপহার দেয়।
A Rule of Thumb:
Anyone who crafts narratives that serve India’s interests while undermining Muslims is working against the interests of Muslims as a whole and the Muslim community of Bangladesh.
The Qur’an teaches that people’s true intentions can often be recognized through their words and behavior (Surah Muhammad 47:30; Surah Al-Ma’idah 5:61). A hadith also warns against excessive, manipulative speech (Jami‘ at-Tirmidhi 2027).
So, be cautious of anyone -no matter how renowned a scholar or historian they appear to be.
On X, where people rarely know each other’s true backgrounds, examine their past actions, the narratives they promote, and who ultimately benefits from them.
That is how you can better identify those traitors working against Muslims.


























