
Bangladesh First I Begum Khaleda Zia I Long Live The Monsoon Revolution I I Stand Against Indian Hegemony - #IndiaOut I Opinions are Personal I No Endorsement
🌎
Joined November 2018
- Tweets56.5K
- Following24
- Followers56.6K
- Likes89.2K
কোনভাবেই এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। জনগণ অতিষ্ঠ হচ্ছে।
asia-post.com/capital/aplcdu…
বাংলাদেশের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন তিন বছর পিছিয়ে যাওয়া দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক ও আনন্দের সংবাদ। বিগত সরকারের ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে তড়িঘড়ি গ্র্যাজুয়েশনের যে প্রস্তুতি চলছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা বাস্তবায়িত হলে তৈরি পোশাক খাতসহ সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটত। বিশেষ করে ইউরোপের বাজারে পাওয়া শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধাসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক অগ্রাধিকার হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকিতে ছিল দেশ।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পেছাতে নতুন করে জাতিসংঘে চিঠি পাঠায়। পরবর্তীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের কূটনৈতিক তৎপরতা ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কার্যকর ভূমিকার ফলে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ ও নেপালের গ্র্যাজুয়েশন ৩ বছর পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে কানাডা, ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ডের মতো দেশগুলো সমর্থন জানায়। সময়োপযোগী এই অর্জন দেশের তৈরি পোশাক শিল্প ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় একটি মাইলফলক।
সরকারি ফ্ল্যাট ও কোয়ার্টার নিজের পরিবার বা নিজে না থেকে সাবলেট বা ভাড়া দিয়ে রাখা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কড়া নোটিশ জারি করেছে সরকার। আগামীকালের মধ্যে অবৈধ ভাড়াটিয়া না সরালে ১ নভেম্বর থেকে বরাদ্দ বাতিল, আইনানুগ ব্যবস্থা এমনকি চাকরিচ্যুতি পর্যন্ত হতে পারে।
১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজিমপুরে একটি সরকারি কোয়ার্টারে সাবলেটের ‘টু-লেট’ দেখে ক্ষুব্ধ হন এবং সংশ্লিষ্টদের সদুত্তর না পেয়ে গোপনে দেশব্যাপী খোঁজ নিয়ে এই ভয়াবহ অনিয়মের চিত্র পান। জাপান যাওয়ার আগেই তিনি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে নোটিশ জারির নির্দেশ দেন।
আমলাদের এই দীর্ঘদিনের ‘ডাবল ইনকাম’ বা অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর এই সাহসী সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। এখন দেখার বিষয়, আমলাদের সম্ভাব্য বাধা পেরিয়ে এই মিশন তিনি কতটা সফলভাবে বাস্তবায়ন করেন।
Sheikh Hasina and Sajeeb Wazed Joy made eight false and misleading claims about Bangladesh’s July Uprising and subsequent events at a Washington press briefing. Waadaa examines the claims.
dailywaadaa.com/fact-check/2…
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরপাক খাওয়া এই দাবিগুলো মূলত তথ্যগত বিভ্রান্তি, অর্ধসত্য ও রাজনৈতিক অপপ্রচারের মিশ্রণ। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, দাবিগুলোর অধিকাংশেরই বাস্তব ভিত্তি নেই।
প্রতিটি দাবির বিপক্ষে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও যুক্তি নিচে তুলে ধরা হলো:
১. "ভারতকে খুশি করতে তিস্তা প্রকল্প থেকে চীনকে বাদ দেওয়া হয়েছে" - সম্পূর্ণ অসত্য
বাস্তবতা: তিস্তা সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (TRCMRP) চীনকে কোনোভাবেই বাদ দেওয়া হয়নি। বরং চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সংক্রান্ত আলোচনা ও চুক্তির ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে।
যুক্তি: তিস্তা প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক অংশগ্রহণের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং সরকার জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই বড় বড় নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প তদারকি করছে।
২. "মেট্রোরেলের দেড় বিলিয়ন ডলারের কাজ পাচ্ছে ভারত, চীনকে দেওয়া হয়নি" - ভুল উপস্থাপন
বাস্তবতা: মেট্রোরেলের কাজ আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের (Open Tendering System) মাধ্যমে যোগ্যতা, প্রযুক্তিগত মান এবং জাইকার (JICA) অর্থায়নের শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
যুক্তি: ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পগুলোতে (যেমন এমআরটি লাইন-১ ও লাইন-৬) একাধিক আন্তর্জাতিক ঠিকাদার কাজ করছে। এতে চীনের ঠিকাদারও কাজ করেছে, আবার ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (L&T) এবং জাপানি কোম্পানিগুলো দরপত্রে অংশ নিয়ে কাজ পেয়েছে। এখানে কোনো দেশকে তোষণ করে কাজ দেওয়া হয়নি, বরং স্বচ্ছ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কাজ বণ্টন হয়েছে।
৩. "মাতারবাড়ি বন্দর হয়ে সেভেন সিস্টার্সে করিডোর বানাবে জাপান, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় খরচ মেটাবে বাংলাদেশ" - বিভ্রান্তিকর
বাস্তবতা: এটি জাপানের নিজস্ব অর্থনৈতিক কৌশল এবং জাইকার আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি পরিকল্পনার (BIG-D) অংশ।
যুক্তি: মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশ থেকে ট্রানজিট ও পোর্ট চার্জ আয়ের বড় একটি সম্ভাবনাময় উৎস। আঞ্চলিক বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশ এর ফি ও শুল্ক থেকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় ভারতকে ফ্রিতে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে - এই দাবি ভিত্তিহীন; বরং ট্রানজিট ও বন্দর ব্যবহারের বিনিময়ে আয় নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য।
৪. "জে-১০সি যুদ্ধবিমান, তুরস্কের ড্রোন ও পাকিস্তানের জেএফ-১৭ বিমান আমদানির আলোচনা বাতিল" - অসত্য ও অপপ্রচার
বাস্তবতা: সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণ (Forces Goal) একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং সংবেদনশীল কৌশলগত প্রক্রিয়া। কোনো চুক্তি বাতিল বা চূড়ান্ত করা কোনো একক রাজনৈতিক আবেগের ওপর নির্ভর করে না।
যুক্তি: সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে ডিফেন্স পারচেজ অ্যাপ্রুভাল কমিটির মূল্যায়ন, বাজেট এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন অগ্রাধিকার পায়। চীনের জে-১০সি (J-10C), তুরস্কের বায়রাক্তার ড্রোন কিংবা পাকিস্তানের জেএফ-১৭ (JF-17) সংক্রান্ত আলোচনা স্ট্র্যাটেজিক লেভেলে বহাল থাকে এবং সুবিধা ও প্রতিরক্ষা চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই যেকোনো দেশের সাথে চুক্তি সম্পাদিত হয়।
৫. "হাসিনা ও বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি একই" এবং "'সবার আগে বাংলাদেশ' সার্বভৌমত্বকে হুমকিতে ফেলেছে" - যুক্তিহীন অপপ্রচার
বাস্তবতা: "সবার আগে বাংলাদেশ" (Bangladesh First) কোনো দুর্বল নীতি নয়; এটি একটি স্বাধীন দেশের আত্মমর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে তৈরি পররাষ্ট্রনীতি।
যুক্তি:
অসংলগ্ন একপেশে তোষণনীতির বিপরীতে "সবার আগে বাংলাদেশ" নীতির মূল ভিত্তি হলো- পারস্পরিক সম্মান, সমতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ।
কোনো সুনির্দিষ্ট দেশের ওপর একক নির্ভরতা না রেখে চীন, ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও মুসলিম বিশ্বের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই এই নীতির মূল লক্ষ্য।
গুজব ও অপপ্রচারে কান না দিয়ে, আন্তর্জাতিক চুক্তি ও উন্মুক্ত দরপত্রের মতো তথ্যভিত্তিক নথিপত্র পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট হয় যে, উল্লিখিত দাবিগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৈরি এবং বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া আমার বক্তব্যে ব্যবহৃত একটি শব্দের সংশোধন ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করতে চাই।
সেদিনের অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার প্রসঙ্গে আমি কথা বলেছিলাম। সমাজে তাঁরা অনেকেই অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন। এসব বাধা পেরিয়ে তাঁদের শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই ছিল আমার বক্তব্যের মূল কথা।
বক্তব্যের সময় ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছি। এখানে আমার অভিপ্রেত শব্দ ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’।
দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। সেদিনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষার সুযোগ ও তাঁদের শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা।
© Anm Ehsanul Haque Milon
Rest in Peace, Professor Xavier!
“He has been held in the warm embrace of family and friends, surrounded by live music, prayer, tears, laughter and the kind of profound emotion that only he could inspire after a lifetime of devotion to us all,” she wrote. “We will forever cherish the peaceful ease and reflection on his face, an enduring reminder of his invincible grace.”
theguardian.com/culture/2026…
মতিউর রহমান বলেন, কবর খোঁড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিতে আমি মানিক পশারীর এক বোনের বাড়িতে যাই। তার বোনকে কবর খোঁড়ার সরঞ্জাম আনতে বলি। এ সময় তার বোন ও আরও দুই নারী আসেন। পরে আমি কবর খোঁড়ার জন্য লোক খুঁজতে গেলে এরই মধ্যে ওই নারীরা মাটি সরাচ্ছিলেন। আর এ সময়ের ছবিটিই ভাইরাল হয়েছে। আমি ও স্থানীয় এক ব্যক্তি মিলে কবর খুঁড়েছি। এ সময় নারীরা সাহায্য করেছেন। ফলে তিন নারী মিলে কবর খুঁড়েছেন— সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্য সঠিক নয়।
মতিউর রহমান আরও বলেন, দাফনের সময় পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তিনজন গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় দুই ব্যক্তির সহায়তায় দাফন সম্পন্ন হয়। ওই সময় আশপাশে কোনো নারীকে দেখেননি বলেও দাবি করেন তিনি।
এ ছাড়া খবর খোঁড়ার সময় তিন নারী ছাড়া স্থানীয় কেউ সেখানে ছিল না- এমন তথ্যও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রসঙ্গে মানিক পশারীর বোন হেনা পশারী জানান, প্রথম দিকে কবর খোঁড়ার সময় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও ছিলেন। তবে সন্ধ্যার পর কবর ভরাট ও হুমকির ঘটনার পর অনেকে ভয়ে চলে যান বলে তার অভিযোগ।
তিনি দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের লোকজন এসে বলেছিলেন, 'সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় কবর ভরাট করে দেওয়া হবে'।
হেনা পশারী বলেন, কবর খোঁড়ার সময় তাদের সঙ্গে আরও দুজন লোক ছিলেন। এরপর রাতে প্রশাসনের লোকজন এসে তার ভাইকে দাফন করেছে।
তবে কবর ভরাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা। জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়ার বিরোধিতা করেন বলে জানান। তবে দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মাসুদ সাঈদীও বলেছেন, ‘মানিক পশারীর লাশ দাফনে বা জানাজায় কোনো বাধা ছিল না, জনগণের আপত্তি ছিল ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদানে, যা রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অবমাননা।’
জামায়াত নেতাদের পাশাপাশি মানিক পশারীকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবি করেছেন স্থানীয় একাধিক মুক্তিযোদ্ধা।
jugantor.com/country-news/11…
বাহ! কি সুন্দর! বিএনপি বলে গণতান্ত্রিক দল? জনাব তারেক রহমান, আগষ্টের পাঁচ তারিখের পর থেকে আপনার এবং আপনার দলের পক্ষ নিয়ে কথা বলার মত খুব বেশি কিছু পাইনি। আপনার দল এতটা বিরক্তিকর ভাবলে অবাক হই।
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরি মৃত্যু রহস্য: দেশপ্রেমিক পাইলটের করুণ পরিণতি নাকি গভীর ষড়যন্ত্র? #IndiaOut
সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মর্মান্তিক ও রহস্যজনক মৃত্যু দেশের প্রতিরক্ষা অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মনে গভীর দাগ কেটেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বিশ্লেষণ, তথ্য এবং তার জীবনের বিভিন্ন দিক সামনে রেখে এই ঘটনার একটি গোছানো ও বিস্তারিত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো।
১. গর্বিত সূচনা থেকে কঠিন বাস্তবতা:
একজন পাইলটের জন্ম ও সংগ্রাম
৬ বছর আগের কথা—দীর্ঘ ৩ বছরের কঠোর ট্রেনিং সফলভাবে শেষ করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জিডিপি (General Duties Pilot) ব্রাঞ্চে কমিশন অফিসার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তাহসিফ সৌরি। রাষ্ট্রপতির কুচকাওয়াজ শেষে গর্বিত বাবা ফেসবুকে লিখেছিলেন:
"আজ জীবনে সুখের দিনগুলোর অন্যতম একটি দিন। বড় ছেলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জিডিপি ব্রাঞ্চে কমিশন অফিসার হিসেবে তিন বছর ট্রেনিং শেষে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ শেষ করল। এখন তিনি ফ্লাইং অফিসার কে এম তাহসিফ সাউরি। সবার কাছে দোয়ার প্রত্যাশায়।"
বাংলাদেশ এয়ারফোর্স একাডেমির হাড়ভাঙা খাটুনি, আইপিসিবির কঠিন বৈতরণী পার হওয়া, শারীরিক ও মানসিক পরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে তবেই একজন ক্যাডেট আকাশে ডানা মেলেন। হাজার হাজার মেধাবী তরুণের মধ্যে তাহসিফ ছিলেন অন্যতম সেরা এক তরুণ। কিন্তু দেশের আকাশের সেই ঈগলকেই পরবর্তীতে নানা bureaucratic জটিলতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার হয়ে মাটিতে নেমে আসতে হয়।
২. ক্যারিয়ার ধ্বংসের পেছনের গল্প ও হয়রানি
মৃত্যুর কয়েক মাস আগে এক পডকাস্টে তাহসিফ সৌরি নিজেই তার ক্যারিয়ার ধ্বংসের নেপথ্য কাহিনী তুলে ধরেছিলেন। সেখানে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য:
চাকরিচ্যুতি ও প্রোপাগান্ডা: ‘আমার দেশ’ পত্রিকার একটি ভুয়া প্রোপাগান্ডার ওপর ভিত্তি করে তাকে দফায় দফায় হয়রানি করা হয়।
এয়ার ইন্টেলিজেন্সের চাপ: তাকে পরিকল্পিতভাবে মানসিক চাপে রেখে স্বেচ্ছায় অবসরের কাগজে সই করতে বাধ্য করা হয়।
মৌলিক অধিকার হরণ: দীর্ঘ দুই বছর তার পাসপোর্ট আটকে রেখে তার সম্পূর্ণ ফ্লাইং ক্যারিয়ারকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছিল। একজন দক্ষ পাইলটকে এভাবে গ্রাউন্ডেড করে রাখা দেশের আকাশ প্রতিরক্ষার জন্যই এক অপূরণীয় ক্ষতি।
৩. শেষ ভিডিও, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং রহস্যজনক মৃত্যু
তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর আগের ঘটনাপ্রবাহগুলো বেশ রহস্যজনক:
ভিডিও ক্লিপ ও নিরাপত্তা: ছাত্র-জনতার আন্দোলন বা সংঘাতের সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ধারণ এবং তা প্রকাশের ক্ষেত্রে তাকে ব্যবহার করা হয়। তার ঘনিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঐ ভিডিওটি মূলত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট রিফাত আশরাফী ধারণ করেছিলেন এবং সৌরি তা আপলোড করতে সহযোগিতা করেছিলেন। এই ভিডিওটি প্রকাশের ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ থেকে বহু কিশোর ও তরুণ রক্ষা পায়।
পিলখানা প্যাটার্ন ও টার্গেটিং: পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর যেমন প্রতিবাদী বা সাক্ষী কর্মকর্তাদের অস্বাভাবিকভাবে সরিয়ে দেওয়া বা পতন ঘটানোর প্যাটার্ন দেখা গিয়েছিল, সৌরির ক্ষেত্রেও তেমনি দীর্ঘমেয়াদী টার্গেটিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। তাকে পরিকল্পিতভাবে কোণঠাসা ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলা হয়েছিল বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
মৃতদেহের রহস্য: সিসিটিভি ফুটেজে সৌরিকে পাঞ্জাবি পরা অবস্থায় বের হতে দেখা গেলেও, তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার হওয়া তার মরদেহ পাওয়া যায় গেঞ্জি পরা অবস্থায়। তার মৃতদেহে দৃশ্যমান কোনো বড় আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও নাক দিয়ে রক্তক্ষরণের মতো লক্ষণগুলো সাধারণ কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু বা আত্মহত্যা নির্দেশ করে না—যা অত্যন্ত সুশিক্ষিত ও পেশাদার মহলের দ্বারাই সম্ভব বলে মনে করছেন অনেকে।
৪. ভূ-রাজনীতি, মাতারবাড়ি বন্দর এবং আঞ্চলিক স্বার্থের টানাপোড়েন
বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশের মতে, তাহসিফ সৌরির এই পরিণতি কেবল ব্যক্তিগত শত্রুতা নয়, বরং এর পেছনে গভীর ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকতে পারে:
ভারতের আধিপত্য ও করিডোর ইস্যু: বিগত সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন কৌশলগত সম্পদ ও করিডোর চুক্তি নিয়ে নানা গোপন তৎপরতা চলছিল। মাতারবাড়ি বন্দরসহ দেশের স্পর্শকাতর সামুদ্রিক ও ভূ-রাজনৈতিক পয়েন্টগুলো প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার বিভিন্ন গোপনীয় তথ্য বা নথি সৌরির কাছে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
নিরাপত্তার শঙ্কা: ক্ষমতা বদল ও নানা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরেও আঞ্চলিক স্বার্থের বিরোধীরা নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে এবং গোপন তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে এই মেধাবী কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন আজ জোরালোভাবে উঠছে।
৫. বর্তমান সরকার ও প্রশাসনের ব্যর্থতা
একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রে বিমান বাহিনীর মতো স্পর্শকাতর বাহিনীর একজন সাবেক চৌকস কর্মকর্তাকে এভাবে জীবন দিতে হলো—যা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা ও উদাসীনতারই প্রমাণ দেয়।
গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্ট আমলের দোসর ও সুবিধাভোগীরা এখনো সক্রিয় থেকে দেশবিরোধী চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে, অথচ সরকার তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিগত সরকারের আমলে হওয়া প্রতিটি অনৈতিক চ্যুতি, হয়রানি ও বিচারবহির্ভূত বলপ্রয়োগের স্বচ্ছ তদন্ত করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনে প্রশাসনের দৃশ্যমান নিষ্ক্রিয়তা জনমনে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
শেষ কথা
যে মা-বাবা এত কষ্ট করে সন্তানকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দিয়েছিলেন, আজ তাদের বুক খালি। আমরা কি তবে সত্যিই একজন দেশপ্রেমিক ও দক্ষ অফিসারকে হারিয়ে ফেললাম, নাকি তাকে পরিকল্পিতভাবে হারিয়ে যেতে বাধ্য করা হলো?
৭২-এর সংবিধানের রক্ষক ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের ছায়ায় চলা নানা অপতৎপরতা বন্ধ করে এই হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের বিচার নিশ্চিত না করলে দেশের সার্বভৌমত্ব বারবার হুমকির মুখে পড়বে। ওপারে ভালো থাকবেন, ক্যাপ্টেন! দেশের আকাশ আপনাকে মনে রাখবে।
মাতারবাড়ি বাংলাদেশের
ভারতের না
ভারত হটাও, বাংলাদেশ বাঁচাও
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
🤖 Made with AI
Family, colleagues, and well wishers join the namaz-e-janaza of former Bangladesh Air Force pilot KM Tausif Souri at Uttara’s Sector 18 Central Jame Mosque on Thursday. His body was recovered from the Turag River on Wednesday, a day after he was reported missing.
Photos: Abdul Goni/Waadaa
সাবাশ ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের মারার জন্য আপনাদেরকে মন থেকে দোয়া করছি। এই দেশের সাংবাদিকরা মানুষ না। এরা জানোয়ার। এরা অমানুষ। ফ্যাসিস্ট এবং ভারতের দালাল।
jagonews24.com/country/news/…




















